জুনাইদ আহমেদ পলক তরুণ বয়সে এমপি।

 এরপর মন্ত্রী এখন জেলখানায় চোখে পানি জেলখানা অনেকটাই কবরের মতো কেমন দম বন্ধ হয়ে আসে। 

অথচ এ রকম একটা জেলের একটা ছোট্ট ক্ষোভে বন্দি হতে হয়েছে এই মন্ত্রীর।সেখানে কথা বলার মতো মানুষ নেই, মোবাইল নেই।

 দিন রাতের হিসাব নেই কত বছর থাকতে হবে তারও ঠিক নেই। হয়তো বাবর সাহেবের মতো বৃদ্ধ বয়সে তারপর দল থেকে বাতিলের খাতায়।

একটাই তো জীবন অথচ তারকে নির্ধারণ অপচয় ক্ষমতায় থাকাকালীন কী ছিল না? 


এ মন্ত্রীর গাড়ি, বাড়ি, লোকজন কর্মী, ক্ষমতা টাকা।
 অথচ এখন প্রিয় স্ত্রীও সাথে নেই এ ছবিটি একটা চরম শিক্ষা এখন যারা ক্ষমতায় আগামীতে যারা ক্ষমতায় আসবেন তাদের জন্য।
কত প্রভাবশালীরা এখন চুপসে গেছে। কেউ সালাম দেয় না। ভালোমন্দ জিজ্ঞেস করে না। অথচ আগে কী সম্মান এই পলক যে হাসিনার জন্য এসব করেছে তারা গোষ্ঠী শুদ্ধ দেশ ছাড়া হাসিনার একজন আত্মীয় গ্রেপ্তার নেই, আটক নেই। 
এর আগে লুৎমুজ্জামান বাবুরকে দেখেছিলাম কী প্রভাব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।সে এখন কারামুক্ত হলেও দলের কোথাও নেই। চিকিৎসার জন্য এ দেশ সে দেশ ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়। 
প্রিজন ভ্যানের বাইরে থেকে পলকের যে বিধ্বস্ত চেহারা দেখা যায় তার এই এক্সপ্রেশনই কত সহজে বোঝা যায় যে সে কতটা বিধ্বস্ত এবং কতটা বিপদগ্রস্ত। 
দুদকের অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় আদালতে হাজিরা দিতে আনা হয়। সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে।
এসময় পুলিশের প্রিজন ভ্যানে দাঁড়িয়ে অঝরে কান্না করেন তিনি। বুধবার দুপুরে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে।এদিন দুদকের করা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য থাকলেও তা জমা পড়েনি।
পরে শুনানি শেষে তাঁকে প্রিজন ভ্যানে তুলে ফেরত পাঠানো হয়। কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্র কারাগারে।
এসময় তার মাথায় ছিল পুলিশের হেলমেট বুকে বুলেট প্রফেস জ্যাকেট দুই হাতে হাত করা। 
তবে প্রিজন ভ্যানে ওঠানোর পর খুলে দেওয়া হয় হেলমেট ও হাত করা। 
এসময় পলকের কাছাকাছি চলে আসেন কিছু মানুষ। তারা পলকের এলাকার লোক বলে জানা যায়।
এই লোকদের দেখে পলক হাসতে থাকেন কয়েকজন পলককে উদ্দেশ্য করে বলতে থাকেন আপনার জন্য দোয়া করি।
 তখন পলক তাঁদের উদ্দেশে বলেন, আমার জন্য দোয়া করবেন। এরপর দেখা যায় প্রিজন ভ্যান এর ভেতরে দাঁড়িয়ে পলক তার মাথা উঁচু করে লোহার ফোকর দিয়ে লোকজনের উদ্দেশে বলতে থাকেন।আমার জন্য দোয়া করবেন।
 সবাই সাবধানে থাইকেন। তখন একজন বলেন, কোনও টেনশন করিন না ভাই।

 একথা শোনার পর পলক কাঁদতে শুরু করেন। তখন সে লোক বলতে থাকেন পলক ভাই কাইন্ডার না। 
এসময় আবেগ আপ্লুত হয়ে আরও বেশি অঝোরে কাঁদতে থাকেন পলক এক পর্যায়ে সেখানে উপস্থিত হন হাজত খানের একজন পুলিশ কর্মকর্তা।
কিছুবারেই প্রিজন ভ্যানটি কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্র কারাগারের উদ্দেশ্যে রওনা হয় পলক প্রিজন ভ্যানের ভেতরে চুপচাপ বসে থাকেন দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মীর আহমেদ আলী। 
সালাম জানান, ঘোষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা হয়েছে।
 পলক ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে।তদন্ত এখনও চলমান ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে গত বছরের 5 আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়।
 এরপর 15 আগস্ট খিলখেত থানাধীন নিকুঞ্জ আবাসিক এলাকা থেকে আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর একাধিক মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
এরপর আজ জোলায় অভ্যুত্থান চলাকালে ঢাকায় রাসেল গাজী নামে এক ব্যক্তিকে হত্যার মামলায় সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। 
এদিন আদালতে শুনানি শুরুর আগে সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, তাঁর আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখির সঙ্গে কথা বলেন।
এ সময় আইনজীবী কারাগারে পলকের কোনও কিছু প্রয়োজন আছে কি না, জিজ্ঞাসা করেন কোনও বই লাগবে কি না। জিজ্ঞাসা করেন তার আইনজীবী এখন কীভাবে সময় কাটাচ্ছেন কারাগারে এই প্রশ্নের উত্তরে পলক বলেন, কারাগারে নিয়মিত কোরান শরীফ পড়ছি। 
কোরান শরীফ এক খতম দিয়েছি।এসময় পলকের কোমরে ব্যাক পেন রোদ হোক বেল্ট দেখা যায়। 
তখন শারীরিক সুস্থতার বিষয়ে জানতে চান আইনজীবী পলক বলেন, আছি কোনও রকম আদালত শেষে পলকের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি বলেন, তিনি কারাগারে কোরান শরীফ পড়ছেন।
 কারাগারে এক খতম দিয়েছেন। কোমরে ব্যাগ পেন আছে। মামলার সূত্রে জানা যায়, জোড়ায় আন্দোলন চলাকালে গত বছরের 5 আগস্ট সকাল 11:00 টার দিকে ঢাকার আশুলিয়া থানার গাজিরচট এলাকায় আন্দোলন করছিলেন মোহাম্মদ রাসেল গাজী।এ সময় আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীদের ছড়া গুলিতে আহত হন তিনি। 
পরে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
 নিহত রাসেল গাজী আশুলিয়ার গাজির চট মধ্যপাড়া এলাকায় বেলাত গাজী ও সেলিনা বেগম দম্পতির ছেলে।
 এর আগে গত বছরের 15 আগস্ট পলককে গ্রেফতার করে পুলিশ।এরপর থেকে অসংখ্য হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়ে রিমান্ড ভোগ করেছেন তিনি। 
বর্তমানে তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্র। কারাগারে আটক আছেন সুপ্রিয় দর্শক পলকের এই ঘটনা থেকে কি রাজনীতিবিদদের শিক্ষা গ্রহণ করা উচিত? 


কমেন্ট বক্সে জানিয়ে দিন আপনার মতামত ভিডিও ভালো লাগলে লাইক দিন এবং শেয়ার করুন।আর অবশ্যই চ্যানেল টি সাবস্ক্রাইব করুন। ধন্যবাদ।